২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

বন্যা পরবর্তী সোনাগাজীর কৃষিতে নববিপ্লব, বাড়ছে নতুন উদ্যোক্তা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
বন্যা পরবর্তী সোনাগাজীর কৃষিতে নববিপ্লব, বাড়ছে নতুন উদ্যোক্তা

সোনাগাজী উপজেলার কৃষকরা করোনা মহামারি এবং চলতি বছরের ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। সোনাগাজী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বন্যায় কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকায়। তবে এই বিপর্যয়ের মধ্যেও কৃষিতে নতুন উদ্যোক্তাদের আগমন ঘটেছে, যা স্থানীয় কৃষির জন্য একটি নববিপ্লব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোনাগাজী উপজেলায় আবাদি জমির পরিমাণ ২১ হাজার ৮৫০ হেক্টর। যদিও মৎস্য চাষ, মাটি বিক্রি এবং সরকারি প্রকল্পের কারণে আবাদি জমি ক্রমাগত কমছে, তবুও নিবন্ধিত কৃষকের সংখ্যা বাড়ছে। করোনার আগে উপজেলায় নিবন্ধিত কৃষকের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০ হাজার, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজারের বেশি।

বর্তমানে শিক্ষিত যুবকরা কৃষিখাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং নতুন নতুন ফসল উৎপাদনে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিচ্ছেন। এর মধ্যে স্কোয়াশ, ক্যাপসিকাম, বিষমুক্ত তিতা করলা, রেড ক্যাভেজ, ব্রকলি, সূর্যমুখী এবং বিভিন্ন জাতের ধান চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, বন্যার আগে উপজেলার ১২ হাজার ৮৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু আগস্টে ভয়াবহ বন্যায় সোনাগাজীর ৯৩ দশমিক ২৯ শতাংশ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৯৯৪.৫ হেক্টর। বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা ১১ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে আমন রোপণ করেন।

কৃষকদের মধ্যে পটল চাষের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কৃষক ফরিদ আহমেদ জানান, “এ বছর পাঁচ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। তবে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় জমিতে সেচ দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন আহমেদ বলেন, “বন্যার পরবর্তী সময়ে কৃষকরা সরকারি ও বেসরকারিভাবে সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং তারা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেছেন।”

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে যশোরে ১ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।