২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

চর কৃষিতে বিশাল সম্ভাবনা, এবার ফলবে প্রায় ১৪ হাজার মে.টন সবজি

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
চর কৃষিতে বিশাল সম্ভাবনা, এবার ফলবে প্রায় ১৪ হাজার মে.টন সবজি

ফটিকছড়িতে ভয়াবহ বন্যার পর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হালদা, ধুরুং ও সর্তাখালসহ অন্যান্য খালের দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ চর জমিতে শীতকালীন শাক-সবজির চাষ শুরু হয়েছে। কৃষকরা এবার এই অঞ্চলে ভারতীয় পাইজাম ধানের পাশাপাশি নানা জাতের সবজি উৎপাদন করছেন, যা তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি আমন মৌসুমে তারা বাজারের ভালো দাম এবং কৃষি প্রণোদনার আশায় আগেভাগেই সবজি চাষ শুরু করেছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ফটিকছড়িতে ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফটিকছড়ির বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকেরা মাঠে পাকা সবজি কাটছেন। তাদের মুখের হাসি বলে দেয় যে, তারা এবারের মৌসুমে ভালো ফলন ঘরে তুলছেন। স্থানীয় কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, গত বছর ব্রী-১১ ধান লাগানোর পর আশানুরূপ ফলন না পাওয়ায় তিনি এ বছর ভারতীয় পাইজাম ধান রোপণ করেছেন।

এছাড়া, কৃষক দেলোয়ার জানান, তার ৪ কানি জমিতে লাগানো ভারতীয় পাইজাম ধানের ফলন দেখে তিনি খুশি। তিনি আশা করেন যে, প্রতি বিঘায় প্রায় ২০ মণ ধান পাওয়া যাবে।

ফটিকছড়ির উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, "এ অঞ্চলের খালের পাড়ে প্রায় ৩ হাজার ২৬৫ জন কৃষক বসবাস করে এবং তারা সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।" তিনি আরও জানান, উচ্চ ফলনশীল সবজির আবাদ বাড়াতে সরকার থেকে উন্নত বীজ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে, কৃষকরা অভিযোগ করেছেন যে, বিদ্যুৎ সুবিধার অভাব এবং কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে অবৈধ বালু ও মাটি বিক্রির ফলে তাদের উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে। তবে তারা আশাবাদী যে, সরকারের সহায়তায় এসব সমস্যার সমাধান হবে এবং ফটিকছড়ি উপজেলা একটি কৃষি মডেল হিসেবে গড়ে উঠবে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।