২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে ভারতের বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে ভারতের বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বর্তমানে আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে একক উৎস দেশের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। সরকার ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য দেশ থেকে এই দুই পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস খুঁজছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে এই উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমানে আলু আমদানি হচ্ছে শুধুমাত্র ভারত থেকে, এবং পেঁয়াজের বড় অংশও ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসে। তবে পাকিস্তান, চীন ও তুরস্ক থেকেও কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে।

বিটিটিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আলু আমদানির জন্য জার্মানি, মিশর, চীন ও স্পেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, এবং পেঁয়াজের জন্য চীন, পাকিস্তান ও তুরস্ককে লক্ষ্য করা হচ্ছে।

বর্তমানে ভারতের বাজারে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ছে, যা কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর ভারতে পেঁয়াজের দাম প্রতি টন ৫৬৪ মার্কিন ডলার ছিল, যা এক মাস আগে ৫১০ ডলার ছিল। একইভাবে আলুর দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস থেকে আমদানিকারকদের উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

বাণিজ্য সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হলো আলু ও পেঁয়াজের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ঠিক রাখা।" তিনি আমদানিকারকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন যে তারা বিকল্প উৎস খুঁজতে মনোযোগী হন।

এদিকে, বিটিটিসির চেয়ারম্যান মইনুল খান বলেছেন, "এক বা দুইটি উৎস ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি কমে যাওয়ার কারণে বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, "শুধু আলু-পেঁয়াজ নয়, অন্যান্য নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রেও ভারতের বিকল্প উৎস খোঁজা দরকার।" তিনি আরও বলেন যে, বছরের বিভিন্ন সময়ে কোন পণ্যের ঘাটতি থাকবে তা আগেই নির্ধারণ করা উচিত।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।