কৃষি খাতে এখনও বহাল স্বৈরাচারের দোসররা
শিল্প ও কৃষি খাতে চলমান অস্থিরতার মধ্যে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চার মাসেও কৃষি খাতে শৃঙ্খলা ফেরেনি। রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি কমেছে।
সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ২৫ জন প্রকল্প পরিচালকসহ ৭৬ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে, যা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। অনেকেই গ্রেফতার ও ওএসডি আতঙ্কে রয়েছেন, ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের চার মাসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোতে নতুন নিয়োগ দেওয়া হলেও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বিএনপি-জামায়াতপন্থি কর্মকর্তারা বহাল রয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন, ব্রি, বারি, বিএআরসি, বিজেআরআইসহ বিভিন্ন সংস্থায় বিগত সরকারের সুবিধাভোগী কর্মকর্তারা এখনও দায়িত্বে রয়েছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, চলতি ডিসেম্বর পর্যন্ত সারের কোনো সংকট নেই এবং জিটুজি পদ্ধতিতে সার আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। তবে কৃষকরা বলছেন, সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, "কৃষক যাতে সার, বীজ ও পানি ঠিকমতো পায় সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আসন্ন বোরো মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।