২৪ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ছাড়াই চলছে চাষাবাদ

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ছাড়াই চলছে চাষাবাদ

লক্ষ্মীপুরের মেঘনা উপকূলে জেগে ওঠা পলি সমৃদ্ধ চরগুলোতে কৃষিতে বিপ্লব ঘটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। ২০ বছর ধরে তারা জোয়ারভাটা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে চরের উর্বর মাটিতে সোনালি ফসল ফলাচ্ছেন। তবে কৃষি বিভাগের কাছে উৎপাদিত ফসলের কোনো হিসাব নেই এবং কৃষকদের অভিযোগ, তারা প্রয়োজনীয় পরামর্শ বা সহযোগিতা পাচ্ছেন না।

চরমেঘা, যা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নে অবস্থিত, একসময় পরিত্যক্ত গোচারণ ভূমি ছিল। বর্তমানে এটি সয়াবিন, ধান, শসা, করলা এবং বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষাবাদের জন্য পরিচিত। স্থানীয় কৃষকরা এখানে উৎপাদিত প্রায় ৯০ শতাংশ সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

কৃষক জামাল হোসেন জানান, গত ঘূর্ণিঝড়ে তার জমিতে আবাদকৃত সবজি নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে তিনি আবারও নতুন করে শসার চাষ শুরু করেছেন এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশা করছেন।

অন্যদিকে, কৃষক আবু তাহের জানান, তিনি ২০ বছর ধরে চরমেঘাতে চাষাবাদ করছেন এবং ঝড়বৃষ্টি হলে কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়লেও লাভও হয়। কিন্তু তারা কখনো সরকারি সহযোগিতা পাননি।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা কৃষকদের উচ্চফলনশীল বীজের পাশাপাশি দেশি জাতের বীজ সংরক্ষণের পরামর্শ দেন। তবে কৃষকদের মতে, তাদের উৎপাদনের হিসাব নেওয়া হয়নি এবং তারা বাজারে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ জানান, চরের ১২ হাজার ৪০২ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হচ্ছে এবং কৃষি বিভাগ সেখানে 'ক্লাইমেট স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার' প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।