তিতির পালনে ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণ, আয়ের নতুন সম্ভাবনা
তিতির, যা ‘গিনি ফাউল’ নামে পরিচিত, বর্তমানে হাঁস-মুরগির খামারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাজারেও তিতিরের ডিম ও মাংসের ভালো চাহিদা রয়েছে। কম খরচে তিতির পালন করে ঘরে বসেই মোটা টাকা আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা পোল্ট্রি চাষিদের জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তিতির কী?
তিতিরের বৈজ্ঞানিক নাম ‘গিনি ফাউল’। এটি ‘চীনা মুরগি’ নামেও পরিচিত। এ পাখির মাথা ও ঘাড়ে চামড়া খালি থাকে এবং গায়ে সাদা ও বাদামি পালক দেখা যায়, যার ওপর সাদা দাগ থাকে। গলার রং হলুদ-নীল এবং মাথায় বাদামি রঙের একটি শিরস্ত্রাণ থাকে। এছাড়া, পায়ে থাকে লাল বাঁট।
ডিম ও মাংসের চাহিদা মেটাতে তিতির
তিতিরের মাংস পুষ্টিতে সমৃদ্ধ, কম কোলেস্টেরলযুক্ত এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভোক্তাদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। পোল্ট্রি খামারিরা তিতির পালনকে মুরগির বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছে। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্ত্রী তিতির প্রায় ৯০ থেকে ১১০টি ডিম দেয়, যা ডিম ও মাংস উৎপাদনে তিতিরকে একটি উপযুক্ত প্রজাতি করে তুলেছে।
পালনে সুবিধা
তিতির পালনে খরচ কম এবং এটি পরিবেশবান্ধব। তিতিরের মাধ্যমে সার উৎপাদন ও ক্ষেতে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সঠিক পরিচর্যা ও প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা দিয়ে তিতির পালন করলে বছরে মুরগির তুলনায় ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি আয় করা সম্ভব।
লাভজনক খামার
সঠিক জাতের তিতির পালন করে এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খামারিরা উল্লেখযোগ্য আয় করতে পারেন। তিতির পালন বর্তমানে একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, যা ডিম ও মাংসের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি খামারিদের জন্য আয়ের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক:
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।