২২ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

গারো পাহাড়ে নতুন উদ্ভাবিত আগাম শিম চাষে কৃষক খুশি

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৮ জুলাই ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
গারো পাহাড়ে নতুন উদ্ভাবিত আগাম শিম চাষে কৃষক খুশি

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) কর্তৃক ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উদ্ভাবিত বারি শিম-৭ জাতের শিমটি উচ্চ ফলনশীল ও গ্রীষ্মকালে চাষের জন্য উপযুক্ত। তবে এটি সারা বছর চাষ করা যায়। এ জাতের শিম চাষ করে আলোড়ন ফেলেছেন ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধ্যাকুড়া এলাকার কৃষক আব্দুল কাদির। হয়েছে শিমের বাম্পার ফলন।

দীর্ঘদিন গাজিপুরের পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এ কৃষক। পোশাক কারখানায় উপার্জিত অর্থে সংসার না চলায় বাড়িতে চলে আসেন তিনি। এর পর থেকেই বাড়ির পাশের জমিতে শাক-সবজি চাষাবাদ শুরু করেন। ২০২২ সালের জুলাই মাসের শুরুতে ২০ শতাংশ জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের শিম কেরালা-১ চাষ করে সফল হয়েছেন তিনি।

আব্দুল কাদির বলেন, ‘২০২২ সালে ইউটিউব দেখে কেরালা-১ জাতের শিমের বীজ সংগ্রহ করে চাষ করে লাভবান হয়েছিলাম। এ বছর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগ শেরপুর থেকে উচ্চ ফলনশীল ও গ্রীষ্মকালে চাষের জন্য উপযুক্ত বারি শিম-৭ জাতের শিমের ২৫০ গ্রাম বীজ সংগ্রহ করি। প্রথম বার হওযায় মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে চলতি বছরের মে মাসে নতুন উদ্ভাবিত এ জাতের শিমের বীজ রোপণ করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিম চাষে শ্রমিক খরচ, সুতা, কীটনাশক, পানি, সারসহ ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা তাকে খরচ করতে হয়েছে। ভালো ফলনের জন্য রাত দিন গাছের যতœ নিয়েছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাগানজুড়ে শিম গাছে ফুল এসেছে।  ইতিমধ্যে কয়েক দফায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করেছি। তার তথ্যমতে, গত তিনদিনে ১৫০ টাকা কেজি ধরে ১ মণ ২০ কেজি শিম বিক্রি করেছেন।


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এ উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি খুবই উর্বর। তাই এখানকার কৃষকদের সবজি বাগান গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এখন ওইসব এলাকায় ব্যাপক সবজি চাষ হচ্ছে এবং কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। বেশ কয়েকজন কৃষক আগাম জাতের শিম চাষ করে ভালো ফলন ও বাজারে চড়া মূল্য পাওয়ায় কৃষকরাও খুশি।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।