ঢাকার বাজারে ১৬ ধরনের ফুল
একসময় দেশে শুধু গাঁদা, গোলাপ ও রজনীগন্ধা চাষ করা হলেও এখন ১৫ থেকে ১৬ ধরনের ফুলের চাষ হচ্ছে। গত দু-তিন বছরে দেশে নতুন আরো তিন ধরনের ফুলের চাষ শুরু হয়েছে। রাজধানী ঢাকার বাজারে সর্বাধিক বিক্রি হয় গোলাপ, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, জিপসি, চন্দ্রমল্লিকা ও বেলি। এর পরেই চেরি, কসমস, জারবেরা, কেলেন্ডোলা, গাজরা (চায়না বেলি), অস্টার, কিচেন টিমাস, টিউলিপ, চায়না গোলাপ ও লিলিয়াম বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফুলের বাজারে যোগ হয়েছে তিনটি নতুন ফুল। টিউলিপ, চায়না গোলাপ ও লিলিয়াম। দাম বেশি হওয়ায় শৌখিন মানুষই কেবল এসব ফুল কেনে। একটি টিউলিপের খুচরা দাম ৮০ থেকে ১২০ টাকা, লিলিয়াম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, চায়না গোলাপ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।
শাহবাগের অনন্যা পুষ্প বিতানের মালিক লোকমান গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার কারণে বর্তমানে বড় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় ফুলের বেচাবিক্রি কম। বাজার টিকে আছে খুচরা বিক্রির ওপর। শৌখিন মানুষ ফুল কেনে। চাষি ও ব্যবসায়ীরা ডিসেম্বর থেকে মার্চ—এই সময়টাকে ব্যবসার মূল মৌসুম বলেন। ভালোবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি- এসব দিনে ফুলের দাম কিছুটা বাড়লেও অন্য সময় দাম বেশি থাকে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩২ হাজার টনের বেশি ফুল উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার্স সোসাইটির তথ্য মতে, বর্তমানে দেশে দেড় হাজার কোটি টাকার ফুলের বাজার রয়েছে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।