২৪ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

টাঙ্গাইলে পলিনেট হাউজে টমেটো চাষে লাভবান রুমা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৬ মে ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
টাঙ্গাইলে পলিনেট হাউজে টমেটো চাষে লাভবান রুমা

টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় পলিনেট হাউজে সবজি আবাদ করে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য। বিশেষ করে টমেটো চাষে দারুণ সফলতা পাচ্ছেন কৃষকেরা। জেলায় এই পদ্ধতিতে চাষে একদিকে যেমন রোগবালাই কম, তেমনি নিয়ন্ত্রিত আবহাওয়ায় ফলনও হচ্ছে বেশি।

এরই মধ্যে সবার নজর কেড়েছেন সখীপুর উপজেলার নামদারপুর গ্রামের গৃহিণী রুমা আক্তার। মাত্র ৪–৫ শতাংশ জমিতে পলিনেট হাউজ পদ্ধতিতে চাষ করে তিনি ২০ হাজার টাকা খরচে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন।

রুমা বলেন, “এই পদ্ধতিতে চাষ করে পোকামাকড়ের কোনো আক্রমণ হয়নি। টমেটোর গুণগত মান, রং এবং স্বাদ—সবই চমৎকার ছিল। তাই বাজারে আমার টমেটো বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা কেজি দরে, যেখানে সাধারণ টমেটোর দাম ছিল ২০ টাকা।”

রুমার এই সফলতা দেখে আশপাশের মানুষরা এখন টমেটো চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা বলেন, “রুমার দেখে অনেকেই এখন স্বপ্ন দেখছেন টমেটো আবাদে ভাগ্য পরিবর্তনের। এমন চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। সবাই এটাই চাচ্ছে।”

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ জানান, জেলার ১২টি উপজেলায় ১২টি পলিনেট হাউজ স্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষকেরা টমেটোসহ বিভিন্ন সবজি চাষে প্রযুক্তিগত ও তথ্যগত সহায়তা পাচ্ছেন।

চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলে ৬৮০ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে, উৎপাদন এসেছে ১১ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন। যদিও বাজারে টমেটোর দাম তুলনামূলকভাবে কম ছিল, তারপরও পরিকল্পিত চাষ পদ্ধতির কারণে অনেক কৃষক লাভবান হয়েছেন।

কৃষি বিভাগ জানায়, পলিনেট হাউজ পদ্ধতিতে আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা সহজ, পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম, ফলে ফলনের গুণগত মান থাকে চমৎকার। এজন্য বাজারে এসব ফসলের চাহিদাও বেশি।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।