বিদেশি আম চাষে সফল ফরিদপুরের তরুণ উদ্যোক্তা মফিজুর রহমান
থোকায় থোকায় ঝুলছে বাহারি রঙের আম। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও সুস্বাদু। তাই এর চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে।
ফরিদপুরের এক বাগানে রয়েছে আমেরিকান পালমাল, জাপানি মিয়াজাকি বা সূর্যডিম, থাই চিয়াংমাই, ব্রুনাই কিংসহ বিভিন্ন দেশের ১৪ জাতের আম। পাশাপাশি রয়েছে দেশীয় সাত জাতের আমও।
সাধারণ ধারণা ছিল, ফরিদপুরের আবহাওয়া বিদেশি আম চাষের জন্য উপযোগী নয়। কিন্তু সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে বিদেশি আম চাষে সফল হয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি।
তিনি বলেন, ‘ফরিদপুরে সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির আম এখন আমার বাগানে রয়েছে। ২১ জাতের আম এখানে আছে। তার মধ্যে সাতটি দেশীয়, ১৪টি বিদেশি।’
বাগান পরিচর্যার কাজে যুক্ত হয়ে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন স্থানীয় শ্রমিকরাও। নিয়মিত স্প্রে ও কাটিংয়ের মাধ্যমে তারা কাজ করছেন বাগানে। একজন শ্রমিক বলেন, ‘এই বাগানে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। দিন হিসেবেও কাজ করি।’
দর্শনীয় হওয়ায় প্রতিদিন বাগানে ভিড় করছেন অনেক দর্শনার্থী। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা কিনছেন স্বাদ নিতে।
ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই জাতগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ার প্রধান কারণ হলো এগুলো দেখতে সুন্দর এবং ফলনও ভালো। যদি এমন বাগান বাড়তে থাকে, তাহলে ফরিদপুর সদর উপজেলাতে একসময় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি জাতের আমের চাষ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়বে।’
বর্তমানে জেলায় প্রায় ২ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।