২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

লবণাক্ত জমিতে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২০ এপ্রিল ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
লবণাক্ত জমিতে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে রোপা আমন কাটার পর দীর্ঘ সময় ফেলে রাখা জমিগুলোয় এখন নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দিয়েছে সূর্যমুখী চাষ। ‘বিনা চাষে ডিব্লিং পদ্ধতি’ ব্যবহার করে এই চাষে ভালো ফলন পাওয়া গেছে, যা কৃষকদের মুখে এনে দিয়েছে নতুন আশার আলো।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)-এর উপকেন্দ্র সাতক্ষীরা এর গবেষণার অংশ হিসেবে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নে সম্প্রতি এক মাঠ প্রচারণা ও মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, নভেম্বর মাসে আমন ধান কাটার পর জমিতে চাষ ছাড়াই সূর্যমুখীর বীজ ডিব্লিং পদ্ধতিতে বপন করা হয়েছে। এরপর গাছের গোড়া বেঁধে সার প্রয়োগের মাধ্যমে পরিচর্যা করা হয়।

গবেষণায় তিনটি জাতের সূর্যমুখী চাষ করা হয়—স্থানীয় জাত, বারি সূর্যমুখী-২ ও হাইসান-৩৩। এর মধ্যে হাইসান-৩৩ জাতটি সবচেয়ে ভালো ফলন দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিএআরসির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম। তিনি বলেন, “সূর্যমুখী একটি লবণসহিষ্ণু ফসল হওয়ায় খুলনা, সাতক্ষীরা ও অন্যান্য লবণাক্ত এলাকায় এর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের পাশে আছি।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. আজিজুল হক (পরিচালক, প্রশাসন ও সাপোর্ট সার্ভিস, বিনা), অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম (কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর), প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. আশরাফুল আলম (পিসিইউ-বিএআরসি), উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম (খুলনা কৃষি বিভাগ), ড. শিল্পী দাস (বিনা উপকেন্দ্র ইনচার্জ, সাতক্ষীরা), ও ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইনসাদ ইবনে আমিন।

কর্মকর্তারা জানান, চাষে সহজলভ্যতা ও স্বল্প ব্যয়ে উৎপাদন হওয়ায় এই পদ্ধতি কৃষকদের জন্য লাভজনক হতে পারে। এছাড়া পতিত জমিকে উৎপাদনের আওতায় এনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন কৃষকেরা।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।