বেসরকারি উদ্যোগে কৃষি, পানি ও পরিবেশে নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং কৃষি উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা নয়, অনেক প্রতিষ্ঠান আন্তরিক উদ্যোগে সামাজিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
কৃষি খাতে অন্যতম কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। উত্তরবঙ্গের ৬টি জেলার ১১ হাজার কৃষককে পরিবেশবান্ধব আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দেয় তারা। এর ফলে কৃষকের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে, পাশাপাশি জীবনমানেও আসছে পরিবর্তন।
রবি আজিয়াটা লিমিটেড দেশের ১১টি রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপন করেছে ওয়াটার প্ল্যান্ট, যেখানে পথচারী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী নিরাপদ খাবার পানি পাচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে রেলওয়ে ও ওয়াটার এইড ছিল সহযোগী।
নিরাপদ পানির ক্ষেত্রে বিএটি বাংলাদেশ কুষ্টিয়া অঞ্চলে ৪৮টি পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে, যা ১২৬টি প্রকল্পের অংশ। এতে উপকৃত হচ্ছে হাজারো কৃষক পরিবার। পাশাপাশি, বৃক্ষরোপণে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশে ইতোমধ্যে বিতরণ করেছে ১৩ কোটিরও বেশি গাছের চারা।
অন্যদিকে, কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই কৃষির জন্য সিনজেনটা বাংলাদেশ কাজ করছে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা ও পুষ্টিনির্ভর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। তাদের সহযোগী সংস্থা ‘সিনজেনটা ফাউন্ডেশন ফর সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার’ দেশব্যাপী কৃষি কাঠামোর উন্নয়নে কাজ করছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম বলেন, “এই উদ্যোগগুলো শুধু সামাজিক কল্যাণ নয়, বরং গবেষণাভিত্তিক ও টেকসই সমাধানের পথ দেখায়। এতে করে তৃণমূলের মানুষ সরাসরি উপকৃত হয় এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।”
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।