গোবিন্দগঞ্জে সবজির বাজারে স্বস্তি, চাল-মাছে ঊর্ধ্বগতি
শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় বাজারে দাম কিছুটা কমেছে, যা ভোক্তাদের স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে চাল ও মাছের উচ্চমূল্যের কারণে সেই স্বস্তি অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। বাজারে নানা ধরনের মাছ থাকলেও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
গতকাল রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পৌর বাজার, নাকাইহাট ও ফাসিতলা বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, সরবরাহ বেশি থাকায় বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।
গোবিন্দগঞ্জ পৌর বাজারের সবজি বিক্রেতা সবুজ মিয়া জানান, “সরবরাহ আরও বাড়লে দাম আরও কমতে পারে।”
বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, মানভেদে সবজির বর্তমান দাম নিম্নরূপ:
- বেগুন: ৪০-৫০ টাকা/কেজি
- করলা: ৪০ টাকা/কেজি
- বরবটি: ৬০ টাকা/কেজি
- মূলা: ২০ টাকা/কেজি
- লতি: ৫০-৬০ টাকা/কেজি
- পটোল: ৩০-৪০ টাকা/কেজি
- গাজর: ৩৫-৪০ টাকা/কেজি
- টমেটো (কাঁচা): ৪০-৫০ টাকা/কেজি
- টমেটো (পাকা): ৬০-৮০ টাকা/কেজি
- শিম: ২৫ টাকা/কেজি
- শালগম: ২০ টাকা/কেজি
- শসা: ৩০-৪০ টাকা/কেজি
এছাড়া, ধনেপাতা, পেঁয়াজের কলি, পেঁয়াজ, নতুন ও পুরাতন আলুর দামও স্থিতিশীল রয়েছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি এবং লাউয়ের দামও কিছুটা কমেছে।
কাঁচা মরিচের দামও কমেছে। খুচরা বাজারে ৫০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে তা ৪০-৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
বাজার করতে আসা ফয়সাল নামে এক ক্রেতা বলেন, “সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। যদি এমন দাম সারা বছর থাকত, তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।”
সবজির দামে স্বস্তি এলেও মাছ ও চালের বাজার অস্থির। বাজারে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। এছাড়া, চালের দামও ধীরে ধীরে বাড়ছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজার মনিটরিং জোরদার করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।