২৭ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

দাম না পেলে চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
দাম না পেলে চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক

কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত না হলে উৎপাদনে আগ্রহ হারাবেন কৃষক। সরকারের দায়িত্ব কৃষকদের জন্য সঠিক বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যাতে তারা কোন ফসল কতটা উৎপাদন করবেন তা বুঝতে পারেন।

গতকাল শনিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি) আয়োজিত খাদ্য ও পুষ্টি অধিকারবিষয়ক প্রচারাভিযানের বার্ষিক পরিকল্পনা সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

সভায় খাদ্য অধিকার রক্ষা, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মহামারির পরবর্তী মূল্যস্ফীতির এই প্রেক্ষাপটে খাদ্য আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

খানির সহসভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিকী বলেন, বাজারে যখন কোনো পণ্যের দাম বাড়ে, তখন সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের দাম না পেলে বা ফেলে দিতে বাধ্য হলে, তখন খুব কম মানুষই সে বিষয়ে কথা বলে।

তিনি আরও বলেন, বাজার বলতে আমরা শুধু ঢাকাকেই বুঝি, অথচ প্রান্তিক কৃষকরাও নিজেদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য চান। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বাজার গড়ে তোলার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

এনজিও ফোরাম অন এডিবির প্রধান নির্বাহী রায়ান হাসান বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিখাতকে প্রাধান্য দিয়ে সরবরাহ চেইন বিশ্লেষণ করা জরুরি।

খানির সেক্রেটারিয়েট ও প্রানের প্রধান নির্বাহী নুরুল আলম মাসুদ বলেন, আমাদের এখনো খাদ্য উৎপাদনের পুরনো পদ্ধতিগুলোতেই নির্ভর করতে হচ্ছে, অথচ নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি। অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং শুরু হয়েছে, যা করপোরেট ফার্মিংয়ের সূচনা মাত্র।

লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইনের (লিড) প্রধান অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমরা এমন একটি খসড়া প্রস্তুত করছি যেখানে বলা হবে, ‘রাষ্ট্র খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে’। এতে খাদ্যে ভেজাল রোধ এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন লিডার্সের প্রধান মোহন কুমার মণ্ডল, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিসার্চের প্রধান গৌরাঙ্গ নন্দী, বিন্দু নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রধান জান্নাতুল মাওয়া এবং কেন্দ্রীয় কৃষক মৈত্রীর সভাপতি মো. আলাউদ্দিন শিকদার প্রমুখ।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।