২৬ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা

দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় এর দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে দেশীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা নেমে এসেছে ৩০ টাকায়। এতে করে নিম্ন আয়ের মানুষেরা খানিকটা স্বস্তি পাচ্ছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে দেশীয় পেঁয়াজের প্রাধান্য। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ কম থাকলেও বেশি দামের কারণে ক্রেতারা সেটি না কিনে দেশীয় পেঁয়াজই কিনছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুড়িকাটা পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় সরবরাহও বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা হায়দার আলী জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে। আগে ৪০ টাকা কেজিতে কেনা পেঁয়াজ এখন ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, এতে কিছু টাকা সাশ্রয় হচ্ছে যা অন্য কেনাকাটায় কাজে লাগছে।

আরেক ক্রেতা নারগিস আকতার বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সবকিছু হিসাব করে কেনাকাটা করতে হচ্ছে। আগে যেখানে চাহিদামতো বাজার করা যেত, এখন প্রয়োজনের চেয়ে কম কিনতে হচ্ছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে। দেশীয় পেঁয়াজের স্বাদ ভালো হওয়ায় সেটাই কেনা হচ্ছে।

পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম চলছে, পাবনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকরা পেঁয়াজ উত্তোলন করছেন। সরবরাহ বাড়ায় মোকামে দাম কমছে, ফলে খুচরা বাজারেও দাম কমছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে প্রতিমণ পেঁয়াজ ১৪০০ টাকা ছিল, এখন তা নেমে এসেছে ১০০০ টাকায়।

তিনি আরও জানান, ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে সীমিত পরিমাণে ২-৩ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ আসলেও বাজারে তার প্রভাব নেই। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ অব্যাহত থাকলে আসন্ন রমজানেও দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।