২৬ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

ভবন নির্মাণ হলেও কাজে আসছে না ভৈরব মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
ভবন নির্মাণ হলেও কাজে আসছে না ভৈরব মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

ভৈরবে ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি তিন বছর পরেও ব্যবহৃত হচ্ছে না। আধুনিক সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যেখানে চোর, জুয়ারি এবং মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। সরকারি নথিতে জনবল থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে কেউ দায়িত্ব পালন করছে না।

২০১৮ সালে শুরু হয়ে ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় চারতলা বিশিষ্ট এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি। এটি ২৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত, যেখানে রয়েছে অকশন শেড, প্যাকিং শেড, ৩৫টি আড়ত ঘর, একটি আইস প্লান্ট, সোলার প্যানেল, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইউনিট, গভীর নলকূপ, আইস ক্রাশার ও জেনারেটর সুবিধা। তবে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও ব্যবসায়ীরা সেখানে ব্যবসা শুরু করেননি, ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকার যে শর্ত দিয়েছে তাতে সেখানে ব্যবসা চালানো লাভজনক নয়। তাদের ২ লাখ টাকা অগ্রিম দিতে হবে, মাসিক ২ হাজার টাকা ভাড়া এবং বিক্রিত মাছের ওপর ১.৫% কমিশন দিতে হবে, যা তাদের জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া পর্যাপ্ত মাছ সংরক্ষণের জায়গা নেই, ফলে তারা আগের মতো পুরাতন আড়তেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভৈরব নৈশ মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ীরা জানান, আগে প্রচুর পরিমাণে মাছ আসলেও বর্তমানে সরাসরি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে, ফলে ব্যবসা মন্দা যাচ্ছে। পুরাতন নৈশ মৎস্য আড়তদাররা নিজেদের জায়গায় বিনা ভাড়ায় ব্যবসা করছেন এবং বিদেশে কিছু মাছ রপ্তানির সুযোগ থাকায় টিকে রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ভৈরব মৎস্য আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ মিয়া জানান, বর্তমান শর্ত মেনে অবতরণ কেন্দ্রে ব্যবসা করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক জানান, ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করতে সরকার উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে। আলোচনা শেষে তারা একটি সমাধানে পৌঁছাবে এবং আশা করা হচ্ছে কেন্দ্রটি শিগগিরই চালু হবে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।