কৃষিতে নারীশ্রম, ফসলে চওড়া হাসি
অগ্রহায়ণ শেষে পৌষের আগমনে প্রকৃতিতে শীতের ছোঁয়া স্পষ্ট। আমন ধান কাটা ও মাড়াই শেষে এখন চলছে শাক-সবজি ও শস্য চাষের ব্যস্ততা। চলনবিলসহ আশপাশের কৃষিপ্রধান জেলাগুলোতে নারী-পুরুষ সকলে এ সময় ব্যস্ত। কেউ মরিচ বা সবজি ক্ষেতে কাজ করছেন, কেউবা আলু তোলার কাজে নিয়োজিত।
নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ঘুরে দেখা যায়, কৃষিকাজে নারী শ্রমিকদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, আমন ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট নিরসনে নারীদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বগুড়ার শেরপুরের কৃষক মো. রতন মিয়া জানান, আলু ক্ষেতে নারী শ্রমিকদের উপস্থিতি বেড়েছে, যা শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হয়েছে।
নারী শ্রমিকরা এখন শস্য চাষের সব ধাপেই অংশ নিচ্ছেন। আলু ক্ষেতের পরিচর্যা থেকে শুরু করে বীজ বপন ও ফলন তোলায় নারীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় কৃষকরা জানান, কৃষিশ্রমে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ কৃষির গতিশীলতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের কৃষি শ্রমে নারীদের অংশগ্রহণের হার ক্রমবর্ধমান। কৃষি ক্ষেত্রে নারীরা এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তবে নারীদের কম মজুরি পাওয়া নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে। নারী শ্রমিকরা সমান কাজ করলেও পুরুষদের তুলনায় কম মজুরি পান। কৃষকরা মেনে নিলেও নারীরা পরিবারে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।