২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

এক পণ্য নিয়ে কৃষি বিভাগের তিন রিপোর্ট

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
এক পণ্য নিয়ে কৃষি বিভাগের তিন রিপোর্ট

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান উল্লেখ করেছেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের পৃথক প্রতিবেদনের কারণে দেশীয় উৎপাদনের সঠিক চিত্র নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর ফলে সঠিক সময়ে আমদানি করা সম্ভব হয় না, যা বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও মূল্য বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

রোববার রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত বিভাগীয় ভোক্তা অধিকার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) রাজশাহী বিভাগ।

মোহাম্মদ আলীম আখতার খান উল্লেখ করেন, পণ্য সরবরাহে ভারসাম্যহীনতা খাদ্যের সংকট সৃষ্টি করে। উদাহরণস্বরূপ, আলুর বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এবং কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে। এই বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন আমদানি প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করছে।

তিনি রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন, স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। তিনি আরও জানান, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়কে একটি অভিন্ন প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করবে।

মহাপরিচালক বলেন, আমদানির সিদ্ধান্ত নিতে অন্তত চার থেকে পাঁচ মাস আগে সঠিক তথ্য প্রয়োজন। সংকটের সময়ে তড়িঘড়ি করে আমদানি করলে নিম্নমানের পণ্য আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, পেঁয়াজ আমদানির সময় দেখা গেছে, প্রাপ্ত পণ্যের একটি বড় অংশ নষ্ট ছিল।

তিনি বলেন, “পেঁয়াজের মান যাচাই করে দেখা গেছে, প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নষ্ট ছিল। কিন্তু সংকট মোকাবিলার জন্য আমাদের সেই পণ্য গ্রহণ করতে হয়েছে।”

এই সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, ক্যাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি জামিল চৌধুরী, এবং অন্যান্য স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।